মােসাদ বিশ্বের ভয়ঙ্করতম গােয়েন্দা সংস্থা। ইসরাইলি এই সংস্থাটির দুঃসাহসিক অভিযান নিয়েই এই বই।। ইসরাইল নামক দেশটিকে যারা বিশ্ব মানচিত্র থেকে মুছে দিতে চেয়েছিলাে, মােসাদ সে-রকম ৮/১০টি দেশকে কি । নিষ্ঠুরভাবে বিধ্বস্ত ও বিপর্যস্ত করেছে তার বর্ণনা তুলে ধরা। | হয়েছে মােসাদ বই-এ। ইরানের পারমাণবিক কেন্দ্র ধ্বংস, মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের সর্বত্র। বিরােধ উস্কে দেয়া, তথ্যপ্রাচারসহ বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে মােসাদ। অনৈতিক এবং নিষ্ঠুরতম প্রক্রিয়া গ্রহণ করে।। রাজনীতির ক্ষেত্রে সাম্রাজ্যবাদী ও সমাজতান্ত্রিক উভয়। বলয়ের পরামর্শক হিসেবে কাজ করে মােসাদ।। মােসাদ তার দেশ ও পশ্চিমা স্বার্থে তাদের ভাষায় কথিত সন্ত্রাসী, বিপ্লবী, বিজ্ঞানী, রাষ্ট্রনায়ক, সরকার প্রধানদের নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করে। কখনাে সরাসরি গুলি করে, কখনাে 'বিষ প্রয়ােগে, কখনাে বা নারী লেলিয়ে এই হত্যাকাণ্ড। সংঘটিত করে। আর এসব হত্যাকাণ্ডের নির্দেশদাতা ইসরাইল সরকারের প্রধান। ইন্টেলিজেন্স যুদ্ধকে মােসাদ এত ‘উচ্চমার্গে নিয়ে গেছে। যে, আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর লক্ষ লক্ষ সদস্য এবং। গােয়েন্দাভিত্তিক কাহিনীর কোটি অনুরক্তকে তা মুগ্ধ না করে পারবে না।
কায়কোবাদ মিলন বাংলাদেশের একজন অন্যতম লেখক ও সাংবাদিক। তাঁর জন্ম বরিশাল শহরে। তবে তাঁর স্থায়ী ঠিকানা কাঁঠালিয়া থানার শৌলজিয়ার মিয়া বাড়িতে। পেশায় তিনি পুরোদস্তুর সাংবাদিক। সংবাদমাধ্যমে আছেন প্রায় পাঁচ দশক ধরে। এই সময়ের সিংহভাগই কাজ করেছেন দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায়, প্রায় চল্লিশ বছর। পেশাগত জীবনে বেশ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন বিভিন্ন সংবাদ সংস্থায়। তিনি ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন এর নেতৃত্বে ছিলেন বেশ কিছু সময়। জাতীয় প্রেস ক্লাবের শিশু শিক্ষা উপ-কমিটির আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন পর পর দুই মেয়াদে। সাংবাদিক প্রতিনিধি দলের সদস্য হিসেবে ভারত ও নেপাল সফর করেছেন। এরই সাথে তিনি ঢাকা সাব-এডিটর্স কাউন্সিলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। ঢাকায় অবস্থিত বরিশাল বিভাগ সাংবাদিক সমিতির সভাপতি হিসেবেও দায়িত্বরত ছিলেন। সাংবাদিকতার পাশাপাশি লেখালেখিও করেছেন তিনি। কায়কোবাদ মিলন এর বই সমগ্র আধুনিক পাঠকদের কাছে জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। তাঁর লেখার ধরণ পাঠকদের কাছে গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে। কায়কোবাদ মিলনের এর বই সমূহ হলো ‘মোসাদ (দুই খন্ড)’, ‘একাত্তরে পরাশক্তির যুদ্ধ’, ‘ঢাকা কলিকাতার যত যুদ্ধ’, ‘তুমি শুধু তুমি’ ইত্যাদি। তাঁর স্ত্রী দিলরুবা জলিল শাহিন একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভাগীয় চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্বরত আছেন। কায়কোবাদ মিলন বাংলাদেশের সাংবাদিকতার অঙ্গনে এক অন্যতম উজ্জ্বল নাম। লেখক ও সাংবাদিক হিসেবে তিনি উপহার দিয়েছেন বেশ কিছু সাড়া জাগানো লেখা ও প্রবন্ধ। সংবাদ মাধ্যমগুলোয় একজন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক হিসেবে তিনি সকলের শ্রদ্ধা ও সম্মানের পাত্র হিসেবে সমাদৃত হচ্ছেন।
0 Comments: